Search This Blog

Wednesday, February 22, 2017

৬০ টি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম


বৈজ্ঞানিক নামকরণ বা দ্বিপদী নামকরণ:


দ্বিপদী নামকরণ হলো দুটি
পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর নামকরণের পদ্ধতি। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং
এর দুইটি অংশ থাকে। প্রথমে গণের নাম এবং শেষে প্রজাতির নাম থাকে। এই
নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়।
সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস হলেন দ্বিপদী নামকরণ পদ্ধতির প্রবক্তা।


গুরুত্বপূর্ণ কিছু উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম নিচে দেয়া হলো-


সাধারণ নাম→বৈজ্ঞানিক নাম

১। গোলআলু Solanum tuberosun
২। পিয়াজ Allium cepa
৩। ধান Oryza sativa
৪। জবা Hibiscus rosa-sinensis
৫। পাট Corchorus capsularis
৬। আম Mangifera indica
৭। কাঁঠাল Artocarpus heterophyllus
৮। শাপলা Nymphea nouchali
৯। রুই মাছ Labeo rohita
১০। কাতলা Catla catla
১১। সিংহ Panthera leo
১২। রয়েল বেঙ্গল টাইগার Panthera tigris
১৩। ম্যালেরিয়া জীবাণু Plasmodium vivax
১৪। আরশোলা Periplaneta americana
১৫। মৌমাছি Apis indica
১৬। ইলিশ Tenualosa ilisha
১৭। কুনোব্যাঙ Bufo/Duttaphrynus
melanostictus
১৮। দোয়েল Copsychus saularis
১৯। মানুষ Homo sapiens
২০। কলেরা জীবাণু Vibrio cholera
২১। গম Triticum aestivum
২২। ভুট্টা Zea mays
২৩। মসুর Lens culinaris
২৪। ছোলা Cicer arietinum
২৫। মোটর Pisum sativum
২৬। সোনামুগ Vigna radiate
২৭। মাসকলাই Vigna mungo
২৮। খেসারী Lathyrus sativus
২৯। সয়াবিন Glycine max
৩০। তিল Sesamum indicum
৩১। সূর্যমুখী Helianthus annuus
৩২। মুলা Raphanus sativus
৩৩। নারকেল Cocos nucifera
৩৪। পুঁইশাক Basella alba
৩৫। বেগুন Solanum melongena
৩৬। কলা Musa sapientum
৩৭। লিচু Litchi chinensis
৩৮। আনারস Ananas comosus
৩৯। কালজাম Eugenia jambolana (Syzygium
cumini)
৪০। পেয়ারা Psidium guajava
৪১। বেল Aegle marmelos
৪২। কুল/বরই Zizyphus mauritiana
৪৩। পেঁপে Carica papaya
৪৪। কফি Coffea arabica
৪৫। চা Camellia sinensis
৪৬। সেগুন Tectona grandis
৪৭। শাল/গজারি Shorea robusta
৪৮। সুন্দরী Heritiera fomes
৪৯। মেহগনি Swietenia mahagoni
৫০। শিশু Dulbergia sissoo
৫১। বাসক Adhatoda vasica
৫২। থানকুনি Centella asiatica
৫৩। তুলসী Ocimum sanctum
৫৪। কালমেঘ Andrographis paniculata
৫৫। নিম Melia azadirachta
৫৬। ধুতুরা Datura metel
৫৭। সর্পগন্ধা Rauvolfia serpentina
৫৮। রজনীগন্ধা Polianthes tuberosa
৫৯। ব্রাহ্মী Bacopa moniera
৬০।শীতলপাটি Clinogyne dichotoma

Sunday, February 19, 2017

আল কুরআনের সূরাসমূহের নাম, নামের অর্থ এবং আয়াতসংখ্যা


আল কুরআনের সূরাগুলোর নামের অর্থ প্রথম বন্ধনীর ভেতর উল্লেখ করা হলো।


সূরার নাম→অর্থ→আয়াতসংখ্যা    

১। আল- ফাতিহা (সূচনা) → ৭

২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)→২৮৬

৩। আল-ইমরান(ইমরানের পরিবার) →২০০

৪। নিসা (নারী) → ১৭৬

৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত
টেবিল) → ১২০

৬। আল-আনআম (গৃহপালিত পশু) →১৬৫

৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)→২০৬

৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)→৭৫

৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)→১২৯

১০। ইউনুস (একজন নবী)→১০৯

১১। হুদ (একজন নবী)→১২৩

১২। ইউসুফ (একজন নবী)→১১১

১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)→৪৩

১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)→৫২

১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)→৯৯

১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)→১২৮

১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)→১১১

১৮। আল-কাহফ (গুহা)→১১০

১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)→৯৮

২০। ত্বা হা (ত্বা হা)→১৩৫

২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)→১১২

২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)→৭৮

২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)→১১৮

২৪। আন-নূর (আলো)→৬৪

২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য
নির্ধারণকারী গ্রম্থ)→৭৭

২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)→২২৭

২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)→৯৩

২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)→৮৮

২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)→৬৯

৩০। আর-রুম (রোমান জাতি)→৬০

৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)→৩৪

৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)→৩০

৩৩। আল-আহযাব (জোট)→৭৩

৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)→৫৪

৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)→৪৫

৩৬। ইয়া সিন (ইয়া সিন)→৮৩

৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে
দাড়ানো)→১৮২

৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)→৮৮

৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)→৭৫

৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)→৮৫

৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)→৫৪

৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)→৫৩

৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)→৮৯

৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া, smoke)→৫৯

৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)→৩৭

৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)→৩৫

৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]→৩৮

৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)→২৯

৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)→১৮

৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)→৪৫

৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)→৬০

৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)→৪৯

৫৩। আন-নাজম (তারা)→৬২

৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)→৫৫

৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)→৭৮

৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)→৯৬

৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)→২৯

৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)→২২

৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)→২৪

৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা
করা হবে)→১৩

৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)→১৪

৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)→১১

৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)→১১

৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)→১৮

৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)→১২

৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)→১২

৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)→৩০

৬৮। আল-ক্বলম (কলম)→৫২

৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)→৫২

৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)→৪৪

৭১। নূহ (একজন নবী)→২৮

৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)→২৮

৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)→২০

৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)→৫৬

৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরুত্থান)→৪০

৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)→৩১

৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)→৫০

৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)→৪০

৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)→৪৬

৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)→৪২

৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)→৩৯

৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)→১৯

৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)→৩৬

৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)→২৫

৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)→২২

৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)→১৭

৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)→১৯

৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)→২৬

৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)→৩০

৯০। আল-বালাদ (নগর)→২০

৯১। আশ-শামস (সূর্য)→১৫

৯২। আল-লাইল (রাত্রি)→২১

৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)→১১

৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)→৮

৯৫। আত-তীন (ডুমুর)→৮

৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)→১৯

৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)→৫

৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)→৮

৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)→৮

১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)→১১

১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)→১১

১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের
প্রতিযোগিতা)→৮

১০৩। আল-আসর (সময়)→৩

১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)→৯

১০৫। ফীল (হাতি)→৫

১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)→৪

১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)→৭

১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)→৩

১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)→৬

১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)→৩

১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)→ ৫

১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)→৪

১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)→৫

১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)→৬

Monday, November 28, 2016

মানবদেহের অস্থিসমূহের নাম ও সংখ্যা



মানবদেহের অস্থির নাম ও সংখ্যা 


মানবদেহে হাড়ের সংখ্যা ২০৬ টি

দেহের সবচেয়ে বড় অস্থির নাম ফিমার

দেহের সবচেয়ে ছোট অস্থির নাম স্টেপিস




একটি শিশু যখন জন্ম নেয় তখন তার দেহে ২৭০ থেকে ৩৫০ টি অস্থি থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কতকগুলো অস্থি একসাথে যুক্ত হয়ে নতুন অস্থি গঠন করে এবং ২০৬ হাড় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ দেহ গঠিত হয়।


[বন্ধনীভূক্ত সংখ্যা =অস্থি সংখ্যা ]


করোটি- Skull:


খুলির অস্থি - Cranial bone (৮)


পশ্চাৎ অস্থি- Occipital bone
ঊর্ধ্ব অস্থি- Parietal bone (২)
অগ্র অস্থি- Frontal bone
পার্শ্ব অস্থি - Temporal bone(২)
অন্তস্থ অস্থি- Sphenoid bone
চোখপশ্চাৎ অস্থি- Ethnoid bone


                      খুলির অস্থি


মুখমণ্ডলীয় অস্থি- Facial Bone:


নাসা অস্থি- Nasal bone (২)
ঊর্ধ্বচোয়াল অস্থি (উপরের
চোয়াল)- Maxillae bone (২)
ল্যাক্রিমাল অস্থি (২)
জাইগোম্যাটিক অস্থি (২)
প্যালাটাইন অস্থি (২)
ইনফেরিয়র ন্যাসাল কঙ্কা (২)
ভোমার
ম্যান্ডিবল (নিচের চোয়াল)
হাইওয়েড অস্থি

                    মুখমণ্ডলীয় অস্থি


মধ্যকর্ণ- In the middle ear:


ম্যালিয়াস (২)
ইনকাস (২)
স্টেপিস (২)

                     কানের অস্থি


বক্ষপিঞ্জর :


বুকের প্রধান হাড় (১)

বক্ষাস্থি (২৪ , ১২ জোড়া),

নিম্নলিখিত:

a)উপরের [৭] জোড়া সরাসরি
স্টার্নামের সাথে যুক্ত

b)মাঝের [৫] জোড়া
পরোক্ষভাবে স্টার্নামের
সাথে যুক্ত

c)নীচের [২] জোড়া ভাসমান।

মেরুদণ্ড ( মোট ২৪ টি):


কশেরুকার সংখ্যাবিন্যাস>


গ্রীবা কশেরুকা- Cervical Vertebrae (৭)
বক্ষ কশেরুকা- Thoracic Vertibrae (১২)
কোমড় কশেরুকা- Lumbar Vertebrae (৫)
শ্রোণী কশেরুকা- Sacral Vertebrae (৫ , জন্মের
সময়। পরবর্তীতে একটি নিচের
শ্রোণী অস্থির সাথে যুক্ত হয়।)
পায়ু কশেরুকা- Coccygeal Vertebrae (৪ , জন্মের সময়।
পরবর্তীতে একটি নিচের
শ্রোণী অস্থির সাথে যুক্ত হয়।)

                               মেরুদণ্ড 



বাহু:


ঊর্ধাঙ্গের অস্থি:


ক্ল্যাভিকল (২)
স্ক্যাপুলা (২)
হিউমেরাস (২)
আলনা (২)
রেডিয়াস (২)


                        বাহুর অস্থি


হাতের অস্থি (৫৪ টি,প্রতি হাতে ২৭ টি করে)


কার্পাস
স্ক্যাফয়েড (২)
লুনেট (২)
ট্রাইকুয়েট্রাল (২)
পিসিফর্ম (২)
ট্রাপেজিয়াম (২)
ট্রাপেজয়েড (২)
ক্যাপিটেট (২)
হ্যামেট (২)
মেটাকার্পাস (৫ × ২)
হাতের ফ্যালাঞ্জেস>
প্রক্সিমাল ফ্যালাঞ্জেস (৫
× ২)
মধ্যবর্তী ফ্যালাঞ্জেস (৪ ×
২)
ডিস্টাল ফ্যালাঞ্জেস (৫ ×
২)


                  হাতের অস্থি




নিতম্বাস্থি (২)

পায়ের অস্থি:


ফিমার (২);
প্যাটেলা (২);
টিবিয়া (২);
ফিবুলা (২)

টার্সাল
ক্যালকেনিয়াস (২)
ট্যালাস (২)
নেভিকুলার (২)
কুনিফর্ম (৬)
কিউবয়েড (2)
মেটাটার্সাল
পায়ের পাতার ফ্যালাঞ্জেস>
প্রক্সিমাল ফ্যালাঞ্জেস (৫
× ২)
মধ্যবর্তী ফ্যালাঞ্জেস (৪ x
২)
ডিস্টাল ফ্যালাঞ্জেস (৫ x
২)
সিসাময়েড

                      পায়ের অস্থি



To visit this site through Freebasics without data charges search "Amar Blog" in the Freebasics.

Monday, November 14, 2016

ষাট গম্বুজ মসজিদের চিত্রসম্ভার

ষাট গম্বুজ মসজিদ





ষাট গম্বুজ মসজিদের সম্মুখ এবং পার্শ্বদৃশ্য।


মানচিত্রে বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা ।( লাল অংশটুকু)


মসজিদের অন্যান্য নিদর্শনসমূহের তালিকা।


ষাট গম্বুজ মসজিদের ভূমি পরিকল্পনা ।


পরিচিতি::

ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের
বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে
অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
মসজিদটির গায়ে কোনো
শিলালিপি নেই। তাই এটি কে
নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে
নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্বন্ধে
সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী
দেখলে এটি যে খান-ই-জাহান
নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে
কোনো সন্দেহ থাকে না। ধারণা
করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি
নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর
ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা
হয়েছিল। পাথরগুলো আনা হয়েছিল
রাজমহল থেকে। এটি
বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব
ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে
অবস্থিত; বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব
ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা
দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৩ খ্রিষ্টাব্দে
ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের
দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের
দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-
পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট
ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।



ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রধান প্রবেশ পথ ও ফটক।

ষাট গম্বুজ মমসজিদের অন্যান্য চিত্রসমূহ>>









মসজিদের পাশে অবস্থিত বিশাল বিল




মসজিদের মিম্বার ও মেহরাব।




মসজিদে সংরক্ষিত পাত্র, মুদ্রা ও গুলতি।


মসজিদের কারুকার্য ও মিনারে ওঠার সিঁড়ি।



খান জাহান আলীর সমাধি।

[Md Masud+ W.C]

Wednesday, November 2, 2016

বিশ্বের ৭০ টি অঞ্চলের ভৌগোলিক উপনাম



1/ সূর্যোদয়ের দেশ – জাপান
2/ ভূ-স্বর্গ – কাশ্মীর
3/ নিষিদ্ধ দেশ – তিব্বত
4/ নিষিদ্ধ নগরী – লাসা
5/ মুক্তার দ্বীপ – বাহরাইন
6/ সমুদ্রের বধু – গ্রেট বিটেন
7/ নিশীথ সূর্য্যের দেশ – নরওয়ে
8/ সাদা হাতির দেশ – থাইল্যান্ড
9/ বাজারের শহর – কায়রো
10/ নীল নদের দেশ – মিশর
11/ আগুনের দ্বীপ – আইসল্যান্ড
12/ প্রাচ্যের ডান্ডি – নারায়ণগঞ্জ
13/ বজ্রপাতের দেশ – ভূটান
14/ সোনালী তোরণের শহর –
সানফ্রান্সিসকো
15/ ইউরোপের ককপিট – বেলজিয়াম
16/ স্কাই স্ক্রাপার্সের শহর – নিউইয়র্ক
17/ ব্রিটেনের বাগান – কেন্ট
(ইংল্যান্ড)
18/ মসজিদের শহর – ঢাকা
19/ সাদা শহর – বেলগ্রেড
(যুগোস্লাভিয়া)
20/ মুক্তার দেশ – কিউবা
21/ বাতাসের শহর – শিকাগো
22/ হাজার দ্বীপের দেশ – ফিনল্যান্ড
23/ মন্দিরের শহর – বেনারস
24/ মরুভুমির দেশ – আফ্রিকা
25/ নীরব শহর – রোম
26/ পবিত্র ভুমি – প্যালেস্টাইন
27/ ভূমিকম্পের দেশ – জাপান
28/ সাত পাহাড়ের শহর – রোম
29/ দক্ষিণের গ্রেট ব্রিটেন –
নিউজিল্যান্ড
30/ প্রাচ্যের গ্রেট ব্রিটেন – জাপান
31/ শ্বেতাঙ্গদের কবরস্থান – গিনিকোস্ট
32/ পান্না দ্বীপ – আয়ারল্যান্ড
33/ চির সবুজের দেশ – নাটাল
34/ পোপের শহর – রোম
35/ উত্তরের ভেনিস – স্টকহোম
36/ স্বর্ণ নগরী – জোহনেসবার্গ
37/ ল্যান্ড অব মার্বেল – ইটালি
38/ পবিত্র পাহাড় - ফুজিয়ামা (জাপান)
39/ গোলাপি শহর – রাজস্থান (ভারত)
40/ দ্বীপের নগরী – ভেনিস
41/ আফ্রিকার সিংহ – ইথিওপিয়া
42/ সকাল বেলার শান্তি – কোরিয়া
43/ ইউরোপের রণক্ষেত্র – বেলজিয়াম
44/ চির বসন্তের নগরী – কিটো (দ.
আমেরিকা)
45/ চীনের দুঃখ – হোয়াংহো নদী
46/ ভূ-মধ্য সাগরের
প্রবেশদ্বার – জিব্রাল্টার
48/ ম্যাপল পাতার দেশ – কানাডা
49/ দক্ষিণের রাণী – সিডনি
50/ প্রাচ্যের ভেনিস – ব্যাংকক
51/ ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন - সুইজারল্যান্ড
52/ ট্যাক্সির নগরী- মেক্সিকো
53/ নিশ্চুপ সড়কের শহর- ভেনিস
54/ Big Apple - নিউইয়র্ক
55/ বাংলাদেশের সুইজারল্যান্ড - পার্বত্য খাগড়াছড়ি
56/ বাংলাদেশের লন্ডন - সিলেট
57/ লিটল বাংলাদেশ - লস অ্যাঞ্জেলস,যুক্তরাষ্ট্র
58/ বাংলার দুঃখ - দামোদর নদী
59/ ইউরোপের দ্বার - ভিয়েনা
60/ বৃহদাকার চিড়িয়াখানা - আফ্রিকা
61/ বাংলাদেশের জলের কন্যা- পটুয়াখালী
62/ মাছহীন নদী - জর্দান নদী
63/ বাংলাদেশের পাহাড়ি কন্যা- বান্দরবান
64/ বাংলাদেশের হিমালয়ের কন্যা- পঞ্চগড়
65/ বাংলাদেশের সাগর কন্যা- কুয়াকাটা
66/ বাংলাদেশের দ্বীপের রানী - ভোলা
67/ বাংলাদেশের প্রকৃতি কন্যা- জাফলং
68/ বাংলাদেশের প্রকৃতির রানী - খাগড়াছড়ি
69/ বাংলার ফুসফুস - সুন্দরবন
70/ বাংলার ভেনিস - বরিশাল

Tuesday, November 1, 2016

ছবিতে বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন

""সুন্দরবন""




সুন্দরবনের মানচিত্র (সবুজ অংশটুকু)

এর অবস্থান >>>>> খুলনা বিভাগ ,বাংলাদেশ
আয়তন >>>>>> ৩,৪৫,০০০ একর।


সুন্দরবনে অবস্থিত কাইখালি মন্দির।




বিশ্বখ্যাত সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার।


সুন্দরী গাছ। এই গাছের নামানুসারে এ বনের নাম সুন্দরবন রাখা হয়েছে।


সুন্দরবনের কুমির।


ভুতুম প্যাঁচা ।

নদীর ধারে মৎস্য শিকারে সুন্দরবনের বক।


সুন্দরবনের পশুর নদী থেকে উদ্ধারকৃত ডলফিনের কঙ্কাল।

গাছে একদল মৌমাছির ঝাঁক।

সুন্দরবনের হরিণ।


সুন্দরবনের বিখ্যাত গোলপাতা।


সুন্দরবনের বিস্তৃত বালুচর ।

নোনাজলের অববাহিকায় শ্বাসমূলের মেলা।

C→ Bdforest, WP